১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়ালে দেয়ালে ফের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার

এর আগে ১৭ মে, ১১ মে ও ২৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়ালে দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 May 2026, 08:23 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:41 PM

এক সপ্তাহের মাথায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে আবারও পোস্টার লাগিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন, লেডিস ঝুপড়ি, কলার ঝুপড়ি, প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে, মেরিন সায়েন্স ভবনের দেয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে ২০ থেকে ৩০টি পোস্টার দেখা যায়। 

কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম এই সংগঠনের পোস্টার এর আগে ১৭ মে, ১১ মে ও ২৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়ালে দেখা গেছে।

অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আন্দোলনের সময় সহিংসতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে। 

গেল বছর আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আসে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লাগানো ছাত্রলীগের পোস্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি রয়েছে।

এছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের ছবিও রয়েছে।

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে নবাগত শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উদ্দেশে পোস্টারের উপরের দিকে লেখা রয়েছে, “পাহাড়ের বুকে সবুজের গানে, নতুন স্বপ্ন জাগে চবির প্রাণে।” 

এর নিচে লিখা রয়েছে, “একটি নাম শুনো নবীন, আ জ ম নাছির উদ্দীন।”

পোস্টারের মাঝ বরাবর অংশে শাটল ট্রেনের সময়সূচি দেওয়া রয়েছে।

এবারের পোস্টারে শফিকুল ইসলাম শাওনের নাম রয়েছে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শাওন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুল হোসেন বলেন, “শাটল ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় এ ধরনের কাজ করা সহজ নয়। নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা সতর্ক থাকতে বলেছি। শুধু পোস্টার নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিষয়ে আমরা নজরদারিতে রাখছি। বড় ক্যাম্পাস হওয়ায় অনেকে গোপনে এসব কাজ করে যায়।”