১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিদেরও নিরাপত্তা আনুষ্ঠানিকতা মানতে হবে: বিমানমন্ত্রী

আফরোজা খানম রীতা বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকার হল যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা। তাই প্রবাসীদের জন্য উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।”

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিদেরও নিরাপত্তা আনুষ্ঠানিকতা মানতে হবে: বিমানমন্ত্রী
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে বৃহস্পতিবার পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির প্রথম সভা হয়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Aug 2026, 11:10 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:48 PM

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ভিআইপি-সিআইপিসহ সব যাত্রীদের নিরাপত্তা আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করতে অনুরোধ করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির প্রথম সভায় মন্ত্রী এ অনুরোধ করেন। 

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো ‘শক্তিশালী, সমন্বিত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন’ করার লক্ষ্যে এ কমিটি করা হয়েছে বলে সন্ধ্যায় সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়।

কমিটির সহ-সভাপতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “ভিআইপি ও সিআইপিসহ সকলের জন্যই নিরাপত্তা প্রোটোকল সমান। তাই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সমানভাবে প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে। আমাদের অগ্রাধিকার হল যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা। তাই প্রবাসীদের জন্য উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।” 

বিমান খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ত্রয়োদশ সভার সিদ্ধান্ত যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয় সে তাগিদ দেন আফরোজা খানম। তিনি বলেন, “শিগগিরই আমাদের আইকাও (ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন) অডিট হবে। তাদের পর্যবেক্ষণের সাথে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে আইকাও এর পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ থাকতে পারে সেগুলোর কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, স্ক্যানার প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় বেশি থাকতে হবে।” 

আইনের ব্যত্যয় হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। 

সভায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা, বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থাপিত আন্ডার ভেহিক্যাল স্ক্যানিং সিস্টেমের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, সব বিমানবন্দরে কন্টিনজেন্সি ও ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম আরো কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। 

এছাড়া শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ট্রাফিক জট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব এবং অবৈধ লাগেজ র‌্যাপিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে বেবিচক, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের কথা বলা হয়।