খাদ্য গুদামে চাল-গম মজুদ ২০ লাখ ৭২ হাজার টন: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
৩১ অগাস্টের মধ্যে এ বছরের ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল বারী।
সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে বর্তমানে ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৪ টন চাল ও গম মজুদ রয়েছে বলে তথ্য দিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে খাদ্য মজুদ বাড়াতে সরকার অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়েছে। ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমে ৫ লাখ টন ধান, ১২ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার টন গম কেনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
“২১ জুন পর্যন্ত ২ লাখ ১ হাজার ২৯৫ টন ধান, ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ টন সিদ্ধ চাল, ৩৬ হাজার ৮৭৯ টন আতপ চাল এবং ৫০০ টন গম সংগ্রহ হয়েছে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে চাল উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ৬০ লাখ টন। একই সময়ে গম উৎপাদন হয়েছে ১০ লাখ ৪১ হাজার টন।
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএওর ‘ফুড আউটলুক, নভেম্বর ২০২৫’ অনুযায়ী দেশে চালের চাহিদা ৪ কোটি ১১ লাখ টন এবং গমের চাহিদা ৭৪ লাখ টন। এই হিসাবে দেশে চাল উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হলেও গমের ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি রয়েছে বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খাদ্যশস্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকারি এবং বেসরকারি খাত থেকে চাল ও গম আমদানি করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ টন চাল ও ৮ লাখ টন গম আমদানির সংস্থান রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২১ জুন পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে ৫ লাখ ৩৪ হাজার টন চাল এবং ৭ লাখ ৩৮ হাজার টন গম আমদানি হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৩৫ হাজার টন চাল এবং ৬৫ লাখ ৮২ হাজার টন গম আমদানি হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী তথ্য দেন।
