Published : 29 Apr 2026, 12:55 AM
উপকূলীয় ও নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কোস্ট গার্ডের জনবল ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার করার ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এই বাহিনীকে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আরো সমৃদ্ধ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ড সদরদপপ্তরে বাহিনীর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কোস্ট গার্ড দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে কোস্ট গার্ড উপকূলীয় এলাকার গণমানুষের ‘আস্থার প্রতীকে’ পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "দেশের সমুদ্র ও নদ-নদী বেষ্টিত উপকূলীয় এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার জন্য কোস্ট গার্ড অনন্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ নৌপথে মাদকদ্রব্য পরিবহন, অস্ত্র ও মানবপাচার, অবৈধ চোরাচালান, জলদস্যুতা, অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধসহ পরিবেশবিরোধী অন্যান্য অপরাধ কার্যক্রম প্রতিহত করার কাজটিও কোস্ট গার্ড করে যাচ্ছে।”
কোস্ট গার্ডের জন্য আগামীতে হেলিকপ্টারসহ ‘মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম ও রেসকিউ ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনার কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক বক্তব্য দেন। এ সময় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, কূটনীতিক, সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ’ কাজের জন্য কোস্ট গার্ডের ৪ জনকে ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক’, ৪ জনকে ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড (সেবা)’ পদক, ৩ জনকে ‘প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক’ এবং ৩ জনকে ‘প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা)’ পদক দেন।