১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

সংস্কার সংলাপে নিষ্পত্তির কী বাকি থাকল, কবে জুলাই সনদ

“ঐকমত্য এ মাসে আর জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়ত অগাস্ট মাসের প্রথমে,” বলেন বদিউল আলম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Jul 2025, 12:23 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:27 PM

জুলাই মাস শেষ আসছে, রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দফায় দফায় বৈঠকে কিছু বিষয় নিষ্পত্তি হলেও বাকি রয়ে গেছে আরও কয়েকটি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শেষে ৩১ জুলাই চুড়ান্ত জাতীয় সনদ প্রকাশ করার অঙ্গীকার রয়েছে ঐকমত্য কমিশনের, যার আলোকে আগামী জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

গত ২ জুন থেকে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা সংলাপে ১৮টি বৈঠকে মোট ১৭টি মৌলিক বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে। 

প্রায় দুই মাস ধরে আলোচনা চালিয়েও সাতটি বিষয়ে এখনো ঐকমত্যে আসতে পারেনি দলগুলো। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় যোগ হওয়ার কথা বলেছেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার।

কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। আলোচনায় নেতাদের মতামতকে প্রধান্য দিয়ে একটি যৌক্তিক জায়গায় পৌঁছানোই কমিশনের লক্ষ্য। 

জুলাই সনদে কী থাকছে জানতে চাইলে বদিউল আলম বলন, প্রথম ধাপের আলোচনায় যেসব বিষয় রয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপে মৌলিক যেসব বিষয়ে সুরাহা হয়েছে সব জুলাই সনদে যুক্ত হবে।

দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ঐকমত্যে পৌঁছলে এ মাসেই সব কিছু চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তুলে ধরেন তিনি।

জানতে চাইলে ঐকমত্য কমিশনের এ সদস্য বলেন, “ঐকমত্য এ মাসে আর জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়ত অগাস্ট মাসের প্রথমে।”

গত বছরের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের হাল ধরা অন্তর্বর্তী সরকার গণতান্ত্রিক উত্তরণে রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য দুই ধাপে গঠন করা হয় ১১টি সংস্কার কমিশন।

গত অক্টোবরে প্রথম ধাপে গঠিত ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা পড়ে ফেব্রুয়ারি মাসে। এর মধ্যে পাঁচটি কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি যাত্রা করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের ১৬৬টি সুপারিশের বিষয়ে ৩৮টি রাজনৈতিক দল ও জোটের মতামত চাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৩৩টি দল মতামত জানায়।

এরপর ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ৪৫টি অধিবেশনের মাধ্যমে প্রথম পর্বের সংলাপ সম্পন্ন করে ঐকমত্য কমিশন।

দ্বিতীয় দফা সংলাপ এখনো চলছে। সংলাপে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শেষ একটি জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করা হবে।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এখন পর্যন্ত যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো হল- 

>> সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন: এতে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদ সদস্যরা দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারবেন। 

>> সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিত্ব: সরকারি হিসাব, অনুমিত হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি—এই চারটিসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ সংসদে আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধী দলের মধ্য থেকে দেওয়া হবে। অর্থাৎ বিরোধী দলগুলো সংসদে যে কটি আসন পাবে, তার অনুপাতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ পাবে। এ বিষয়ে দলগুলো এক মত হয়েছে। 

>> নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ: এ বিষয়ে আশু ও দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশনের যে সুপারিশ ছিল, সেখানে আশু ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী সমাধানের ক্ষেত্রে যে ঐক্যমত হয়েছে তা হল- প্রতি আদমশুমারির অনধিক ১০ বছর পরে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের জন্য সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদের দফা এক এর ঘ শেষে আইনের দ্বারা একটি বিধান যুক্ত করা। 

এর অর্থ হচ্ছে সংসদীয় আসন নির্ধারণ করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা।

আশু ব্যবস্থা হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় যথাযথ দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে  বিশেষায়িত কমিটি গঠন করার বিষয়ে একমত হয়েছে দলগুলো। এ ক্ষেত্রে যদি কমিটি গঠন হয়ে থাকে তাহলে তা পরিবর্তন করে সেই কমিটিকে দিয়ে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করা। 

>> রাষ্ট্রপতির ক্ষমা: এ সম্পর্কিত সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও সকল নির্বাহী ক্ষমতার মাধ্যমে ক্ষমার বিষয় সংবিধানে যুক্ত করার সুপারিশে সকল রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রদর্শনের জন্য পাঠানোর আগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মতামত নিতে হবে। 

ক্ষমা প্রদর্শনে রাষ্ট্রপতির অধিকার সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ ৪৯ এ বলা হয়েছে, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনালের যেকোনো দণ্ডের মার্জনা বা বিলম্ব, দণ্ড মওকুফ করার অধিকার রাষ্ট্রপতির থাকিবে। এবং আইন দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড নীতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে। এ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে নতুন আইন যুক্ত হলে বিগত সময়ে রাজনৈতিকভাবে এই আইনের যে ‘অপব্যবহার’ হয়েছে তা বন্ধ হবে।

>> বিচারবিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ: রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। এই সংশোধনের ফলে রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে এবং রাজধানীর বাইরে প্রতিটি বিভাগে প্রধান বিচারপতির পরামর্শ ক্রমে এক বা একাধিক বেঞ্চ থাকবে। অর্থাৎ হাই কোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ ঢাকায় থাকার পাশাপাশি প্রতিটি বিভাগীয় শহরে থাকবে।

>> পর্যায়ক্রমে উপজেলায় পর্যায়ে নিম্ন আদালত স্থানান্তরের সুপারিশের ক্ষেত্রে ছয়টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হল—

১. জেলা সদরে অবস্থিত সদর উপজেলা আদালত জেলা জজ কোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা। 

২. বিদ্যমান চৌকি আদালত ও উপজেলা আদালতের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও অবকাঠামো নির্মাণ করা। 

৩. জেলা সদরের কাছাকাছি উপজেলায় নতুন আদালত স্থাপন না করা ও প্রয়োজনীয় জরিপ পরিচালনা করা। 

৪. অবশিষ্ট উপজেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব, ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য, যাতায়াতব্যবস্থা, দূরত্ব, অর্থনৈতিক অবস্থা ও মামলার সংখ্যা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে আদালত স্থাপন করা। 

৫. অধস্তন আদালতের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা। 

৬. আইনগত সহায়তা কার্যক্রম উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা।

>> জরুরি অবস্থা জারি: এ সংক্রান্ত বিধান নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে—মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা জারি করবেন। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধী দলীয় নেতা বা তার অনুপস্থিতিতে উপনেতা অংশ নেবেন। কোন অবস্থায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যাবে, তাও নির্ধারণ করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার মধ্যেও কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত করা যাবে না বলেও ঐকমত্য হয়েছে।

>> প্রধান বিচারপতি নিয়োগ: এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে—আপিল বিভাগের কর্মে জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। তবে কোনো দল যদি নির্বাচনি ইশতেহারে যুক্ত করে যে জ্যেষ্ঠতম দুজনের মধ্য থেকে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা ক্ষমতায় গেলে সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করতে পারবে।

>> নির্বাচন কমিশন গঠন: নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং আইনে নির্ধারিত সংখ্যক নির্বাচন কমিশনারদের সমন্বয়ে। এদের মনোনয়নের জন্য একটি বাছাই কমিটি গঠিত হবে—যার নেতৃত্বে থাকবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন ডেপুটি স্পিকার (বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত), প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা এবং প্রধান বিচারপতির প্রতিনিধি হিসেবে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। কমিটি বিদায়ী কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে প্রার্থী অনুসন্ধান শুরু করবে। যোগ্যতা-অযোগ্যতা, প্রার্থী আহ্বান ও অনুসন্ধান পদ্ধতি নির্ধারিত হবে সংসদে প্রণীত আইনের মাধ্যমে।

>> প্রধানমন্ত্রীর একাধিক পদে থাকা: একই ব্যক্তি একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন না, এমন বিধান করার বিষয়ে তিন–চতুর্থাংশ দল একমত হয়েছে। বিএনপিসহ যারা একমত হয়নি তারা জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিতে পারবে। 

জানতে চাইলে শুক্রবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ পর্যন্ত আমাদের ১০ মৌলিক বিষয়ে মোটামুটি নিষ্পত্তি হয়েছে, সুরাহা হয়েছে। বাকিগুলো আলোচনা হয়েছে, এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।”

আলোচনা হয়েছে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, এমন বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং ন্যায়পাল নিয়োগ প্রক্রিয়া, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ (উচ্চকক্ষের গঠন ও সদস্য নির্বাচন পদ্ধতি), নারী আসন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি, রাষ্ট্রের মূলনীতি, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পদ্ধতি।

বদিউল আলম আলম বলেন, আরও যে বিষয়গুলো আলোচনা হবে সেগুলোর মধ্যে আছে- মৌলিক মানবাধিকার সম্প্রসারণ, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সংক্রান্ত ৪৮ অনুচ্ছেদ। 

এমন আরও ১০টির মত বিষয় নিষ্পত্তি হতে হবে তুলে ধরে তিনি বলেন, “জুলাইয়ের মধ্যে আমরা ঐকমত্যে পৌঁছাব আশা করি। হয়তো অগাস্ট মাসের প্রথমে আলোচনা শেষ করে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবো এবং জুলাই সনদ দেওয়া সম্ভব হবে।” 

এর আগে বুধবার ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, “প্রস্তাবিত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ইস্যুগুলোতে বারবার আলোচনার পরও দলগুলো ঐক্যে আসতে পারেনি। তার পরও এ পর্যন্ত ১০টি মৌলিক ইস্যুতে দলগুলো একমত হয়েছে। 

“আগামী কয়েক দিনের আলোচনায় সব মিলিয়ে যেসব বিষয়ে তাদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে, সেই ইস্যুগুলো নিয়েই আমরা জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চাই।”

তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত আলোচনায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আমরা ঐক্য প্রতিষ্ঠার তাগিদবোধ তৈরির চেষ্টা করছি। কিছু মৌলিক ইস্যুকে বারবার আলোচনার টেবিলে আনা হয়েছে। বেশ কিছু ইস্যুতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড় দিয়ে একমত হয়েছেন- এ জন্য তাদের সাধুবাদ জানাই। 

“এ পর্যায়ে জুলাই-অগাস্টের শহীদদের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ববোধ, তার পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আমরা একটি যৌক্তিক জায়গায় পৌঁছাতে চাই। সব মিলিয়ে যতগুলো বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য পৌঁছানো সম্ভব হবে, সেসব বিষয়কে সঙ্গী করেই একটি জাতীয় সনদ তৈরির সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াই কমিশনের লক্ষ্য।”

পুরনো খবর:

সংস্কার করবেন আপনারা, রাজনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই সনদের আলোকে আগামী নির্বাচন: আলী রীয়াজ 

জুলাই সনদ জুলাই মাসেই 'সম্ভব', আশা রাখতে চান আলী রীয়াজ