১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

'ব্যালট’ প্রকল্প: ইসিকে আর্থিক সহায়তা দেবে অস্ট্রেলিয়া

২০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তা পাবে ইসি।

'ব্যালট’ প্রকল্প: ইসিকে আর্থিক সহায়তা দেবে অস্ট্রেলিয়া
ঢাকার আগারগাঁওয়ে বুধবার ব্রিফিং করেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Jun 2025, 06:34 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:13 PM

গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোট করার লক্ষ্যে ইউএনডিপির সহায়তায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘ব্যালট’ নামে যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে, তাতে আর্থিক সহায়তা দেবে অস্ট্রেলিয়া।  

বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকও সই হয়েছে। এতে ২০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তা পাবে ইসি।

অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার ও অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইলি উপস্থিত ছিলেন।

পরে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, "আমরা ইসি গঠনের পর থেকেই ইউএনডিপির সহায়তা চেয়ে আসছি। তারা প্রথম থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছেন। ব্যালট প্রকল্পে প্রায় এক কোটি ৮৩ লাখ ডলার সহায়তা দেবে।"

ইসি সচিব বলেন, “নির্বাচনে ১৬টি কমপোন্টেট আছে। ১৬টিতে অর্থায়নের বিষয়ে ইউএনডিপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ২০ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। "আশা করি, এ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অর্থায়নের জন্য দাতাদের সহযোগিতা পাওয়া যাবে।"

প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে বলে জানান ইসি সচিব। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। 

এরই অংশ হিসেবে ইউএনডিপি সহায়তায় ‘বাংলাদেশ’স অ্যাডাভান্সমেন্ট ফর ক্রেডিবল, ইনক্লুসিভ অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্ট ইলেকশন্স’ (ব্যালট) নামে প্রকল্প হাতে নেয় ইসি। 

ইসি সচিব বলেন, "এই প্রকল্পের আওতায় সক্ষমতা ও সচেতনতা বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলাসহ মোটা দাগে ১৬টি কম্পোনেন্ট থাকবে।"

আখতার আহমেদ বলেন, “ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় তারা প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের ল্যাপটপ, স্ক্যানার, ক্যামেরাসহ নানা যন্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্পের আজ এমওইউ হয়েছে।”

সুসান রাইলি বলেন, “অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ট বন্ধু এবং অংশীদার। বাংলাদেশ যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে অগ্রসর হতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করার সুযোগকে আমরা স্বাগত জানাই।”

স্টেফান লিলার বলেন, গত বছর নির্বাচন কমিশন গঠনের কিছুদিন পরেই তারা জাতিসংঘের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সহায়তা চায়। এরপর জাতিসংঘ একটি ‘নিড অ্যাসেসমেন্ট মিশন’ পাঠায়, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং জাতিসংঘ কী ধরনের কারিগরি সহায়তা দিতে পারে, তার সীমারেখা নির্ধারণে কাজ করে।”

আরও পড়ুন

'ব্যালটপ্রকল্পে ইআরডির সম্মতি চায় ইসি