১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি

এই সংশোধনের ফলে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের স্বাধীনতা এবং তল্লাশি ও আলামত জব্দ করার ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ল।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Feb 2025, 03:26 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:48 AM

সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের স্বাধীনতা এবং তল্লাশি ও আলামত জব্দ করার ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন সংশোধনের পর তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। 

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারে গঠিত এ ট্রাইব্যুনালে জুলাই অভ্যুত্থান দমাতে গণহত্যার অভিযোগ বিচারের প্রক্রিয়ার মধ্যেই এ আইন সংশোধন করা হল। 

আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পায়। 

জাতীয় সংসদ চলমান না থাকায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এ অধ্যাদেশ জারি করেন, যার বিজ্ঞপ্তি সোমবার প্রকাশ করা হয়। 

‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স ২০২৫’ নামের এই আইনের ৪, ৮, ৯, ১১, ১২ ও ১৯ নম্বর ধারা সংশোধন করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে ৪ নম্বর ধারা সংশোধন করে আগ্রাসনকে বর্ণনা করা হয়েছে শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে। 

৮ নম্বর ধারার (৩এ) উপধারায় বলা ছিল, তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি ও আলামত জব্দ করতে পারবেন। সংশোধনে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।  

৯ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বিচার শুরুর ছয় সপ্তাহ আগে সাক্ষীর তালিকা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের বিধান ছিল, সেটা তিন সপ্তাহ করা হয়েছে। 

১১ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন যুক্ত (৯) উপধারায় বলা হচ্ছে ট্রাইব্যুনাল আসামির সম্পদ অবরুদ্ধ বা জব্দের আদেশ দিতে পারবে এবং ন্যয়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সেসব সম্পদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত দিতে পারবে। 

আইনের ১২ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বলা ছিল, ট্রাইব্যুনালের মামলার প্রতিবেদনসহ নথি হবে গোপনীয়। এখন ওই নথির সঙ্গে অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। 

১৯ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা (৫) সন্নিবেশিত হয়েছে।সেখানে বলা হয়েছে, আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যের কারিগরি নিয়ম দ্বারা আবদ্ধ থাকবে না এবং দ্রুত এবং অ-কারিগরি পদ্ধতি গ্রহণ এবং প্রয়োগ করতে পারবে।