১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

লালসালু তৈরির ধুম

লাল রংয়ের পাতলা সুতি কাপড় পরিচিত ‘লালসালু’ হিসেবে। বিশেষ এই কাপড় মূলত ব্যবহৃত হয় শীতের লেপ তৈরির কাজে। মাজারসহ আরও নানা কাজেও এই কাপড়ের কদর রয়েছে। এই লালসালু তৈরি হয় নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকায়। শীতের শুরুতে লেপের চাহিদা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সালুতে লাল হয়ে যায় নরসিংদী জেলার বিভিন্ন মাঠ আর খোলা প্রান্তর।

বিডিনিউজ২৪

মুস্তাফিজ মামুন

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Dec 2024, 09:34 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:03 AM

নরসিংদী সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে সালু কাপড় তৈরির কিছু ছোট কারখানা। নভেম্বর-ডিসেম্বরে এসব কারখানার তাঁতে চলে সুতা থেকে কাপড় বোনার কাজ।

নরসিংদী সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে সালু কাপড় তৈরির কিছু ছোট কারখানা। নভেম্বর-ডিসেম্বরে এসব কারখানার তাঁতে চলে সুতা থেকে কাপড় বোনার কাজ।

কয়েক ধাপে এসব কাপড় রঙ করে তা পাকা করা হয়।

কয়েক ধাপে এসব কাপড় রঙ করে তা পাকা করা হয়।

শ্রমিকরা নানা রাসায়নিক মিশ্রিত রঙ নিয়ে কাজ করেন সালু কাপড়ের কারখানায়। কিন্তু কোনো ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করেন না তারা। এ বিষয়ে তাদের নেই কোন সচেতনাও।

শ্রমিকরা নানা রাসায়নিক মিশ্রিত রঙ নিয়ে কাজ করেন সালু কাপড়ের কারখানায়। কিন্তু কোনো ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করেন না তারা। এ বিষয়ে তাদের নেই কোন সচেতনাও।

কয়েক ধাপে কাপড়ে লাল রঙ করার পর তা রোদে শুকানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মাঠে।

কয়েক ধাপে কাপড়ে লাল রঙ করার পর তা রোদে শুকানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মাঠে।

শীতে ফসল তুলে ফেলায় এসব মাঠকেই কাপড় শুকানোর কাজে ব্যবহার করেন শ্রমিকরা।

শীতে ফসল তুলে ফেলায় এসব মাঠকেই কাপড় শুকানোর কাজে ব্যবহার করেন শ্রমিকরা।

রোল করা বিশাল লম্বা লাল সালু কাপড় বিশেষ পদ্ধতিতে সারিবদ্ধভাবে শুকাতে দেওয়া হয় মাঠে।

রোল করা বিশাল লম্বা লাল সালু কাপড় বিশেষ পদ্ধতিতে সারিবদ্ধভাবে শুকাতে দেওয়া হয় মাঠে।

ভোর থেকেই মাঠে শুকাতে দিতে হয় সালু কাপড়, কাজের ফাঁকে তাই সেরে নিতে হয় সকালের খাবার।

ভোর থেকেই মাঠে শুকাতে দিতে হয় সালু কাপড়, কাজের ফাঁকে তাই সেরে নিতে হয় সকালের খাবার।

একজন শ্রমিক দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার গজ লাল সালু রঙ করে শুকাতে পারেন।

একজন শ্রমিক দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার গজ লাল সালু রঙ করে শুকাতে পারেন।

রঙ করা থেকে শুকানো পর্যন্ত প্রতি এক হাজার গজ কাপড়ের জন্য একজন শ্রমিক পান ৪০০-৫০০ টাকা।

রঙ করা থেকে শুকানো পর্যন্ত প্রতি এক হাজার গজ কাপড়ের জন্য একজন শ্রমিক পান ৪০০-৫০০ টাকা।

ভালো রোদ থাকলে এক ব্যাচ কাপড় রোদে শুকাতে তিন ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

ভালো রোদ থাকলে এক ব্যাচ কাপড় রোদে শুকাতে তিন ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

শুকানে শেষে মাঠেই সালু কাপড় ভাঁজ করা হয়।

শুকানে শেষে মাঠেই সালু কাপড় ভাঁজ করা হয়।

শুকানো শেষে সালু শ্রমিকরা পৌঁছে দেন মহাজনের কাছে।

শুকানো শেষে সালু শ্রমিকরা পৌঁছে দেন মহাজনের কাছে।

সালু কাপড় তৈরির শ্রমিকদের বড় একটা অংশই আসেন ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে।

সালু কাপড় তৈরির শ্রমিকদের বড় একটা অংশই আসেন ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে।

বর্তমানে কম্বল এবং ওয়ার্মার সহজলভ্য হওয়ায় লেপের ব্যবহার কমে গেছে। তাই লাল সালু কাপড় তৈরির কারখানাও অনেক কমে গেছে বলে জানান শ্রমিকরা।

বর্তমানে কম্বল এবং ওয়ার্মার সহজলভ্য হওয়ায় লেপের ব্যবহার কমে গেছে। তাই লাল সালু কাপড় তৈরির কারখানাও অনেক কমে গেছে বলে জানান শ্রমিকরা।

লাল সালু যাচ্ছে নরসিংদীর মাধবদী, বাবুরহাটের পাইকারি বাজারে।

লাল সালু যাচ্ছে নরসিংদীর মাধবদী, বাবুরহাটের পাইকারি বাজারে।