১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা পরিকল্পনা চূড়ান্তে বৈঠকে ইসি

কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেবে নির্বাচন পরিচালনকারী সংস্থাটি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Nov 2025, 11:42 AM

Updated : 26 Aug 2026, 05:12 PM

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বাহিনী মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ বাহিনী ও সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিরা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

নির্বাচনে নিরাপত্তা পর্যালোচনা করে কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেবে ইসি, সেইসঙ্গে ভোটের আগে-পরে কতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে এবং ভোটকেন্দ্রে কতজন সদস্য নিয়োজিত থাকবে, তাও চূড়ান্ত হবে এ বৈঠকে।

সভায় উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, এসবি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি গোলাম রসুল, সিআইডির অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ছিবগাত উল্ল্যাহ। 

এছাড়া সেনা বাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, এনএসআই, কোস্ট গার্ড ও এনটিএমসির প্রধানদের প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন।

সভার আগের দিন বুধবার বিজিবির ‘নির্বাচনি মহড়া’ পরিদর্শন করে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোনে ভাগ করে সে অনুযায়ী ‘ডেপ্লয়মেন্ট স্ট্র্যাটেজি’ (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন কৌশল) ঠিক করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে ‘ডেপ্লয়মেন্ট স্ট্র্যাটেজি’ ফাইনাল হবে।”

নির্বাচনআইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্তে বসছে ইসি

এবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও হবে। দেশের পৌনে ১৩ কোটি ভোটার দুটি ভোট দেবেন। প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে পৌনে ৩ লাখের মত ভোটকক্ষ রাখার পরিকল্পনা করছে ইসি।

প্রথম দফা প্রাক-প্রস্তুতিমূলক বৈঠক গত ২০ অক্টোবর হয়েছিল, যেখানে সংসদ নির্বাচনকে ঘিয়ে সার্বিক বিষয় আলোচনা হয়। এ সভায় ভোটের আগে-পরে আট দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব আসে। এবার ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য থাকতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য ভোটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সংখ্যাই হবে সাড়ে ৫ লাখের মত। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। এছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড রয়েছে।