Published : 26 Jun 2025, 04:32 PM
আগামী বছরের হজ কার্যক্রম যেন আরও সহজ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়, সেজন্য এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেছেন, “এ বছর ছোটখাটো যেসব ত্রুটি ধরা পড়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে সেগুলো যেন না হয় তার বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে সরকারপ্রধান এ নির্দেশনা দেন বলে তার দপ্তর জানিয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “এ বছর হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। সবাই প্রশংসা করেছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পরিশ্রম করেছে- এজন্য সবাইকে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা।”
এবার নিবন্ধিত সবার হজ পালন করতে পারার ‘দৃষ্টান্ত সৃষ্টি’ হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এ দৃষ্টান্ত যেন এই মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী নীতিতে পরিণত হয়।
“হজযাত্রী ও হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্টদের সবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। সবাই যেন নির্বিঘ্নে হজ পালন করতে পারেন, সেজন্য প্রশিক্ষণ খুবই জরুরি।”
বৈঠকে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানান, আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনার জন্য ইতোমধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ জুলাই বাংলাদেশিদের জন্য হজ কোটা ঘোষণা করা হবে।
ধর্ম সচিব এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিক জানান, আগামী বছরের হজের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণের মাধ্যমে নিবন্ধন নিশ্চিত করা হবে। বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন অথবা ডেডিকেটেড সরকারি হাসপাতালের পরিচালকের দেওয়া সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে।
২০২৬ সালের হজের জন্য আগামী ২১ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।
ধর্ম সচিব আফতাব জানান, হজ পালনকালে এ বছর ৩৮ জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এই মুহূর্তে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসতাপালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৪ জন।
গত ২৫ জুন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৬১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৮০৬টি লাগেজ হারানোর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৯০টি লাগেজ পাওয়া গেছে। বাকি ১৬টি লাগেজ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।