Published : 23 Aug 2026, 11:29 AM
ঢাকার বনানী থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর দিন রেখেছে আদালত।
এ আসামির আইনজীবীর সময় চেয়ে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার এ আদেশ দেন রোববার ঢাকার চতুর্থ বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী।
আনিসুল হকের আইনজীবী সুমন হোসেন বলেন, “আমাদের মামলা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করার বাকি আছে। সেগুলো সংগ্রহ করার জন্য আমরা আদালতের কাছে সময় চেয়েছিলাম।
“আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।”
আনিসুলের আইনজীবী বলেন, যেই অস্ত্র নিয়ে মামলাটি হয়েছে, সেটি ‘আসলে’ আনিসুল হকের বৈধ অস্ত্র। সেই কাগজপত্র আগামী ধার্য তারিখে উপস্থাপন করা হবে।
শুনানিকালে আনিসুল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, বনানী থানার অধীনে আনিসুল হক একটি বৈধ পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
কিন্তু আনিসুল হক ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি। তার ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি গুলি কিনেছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ফলে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আট দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বিভিন্ন হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত বছরের ২৪ মে বনানী থানায় অস্ত্র মামলাটি করেন এসআই জানে আলম দুলাল। তদন্ত শেষে আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে বনানী থানা পুলিশ।