Published : 30 Dec 2025, 06:03 PM
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ মিশন।
মঙ্গলবার মিশনগুলোর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে খালেদা জিয়ার পরিবার, স্বজন ও দলের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।
এক শোকবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীর শোক জানাচ্ছে। দেশের আধুনিক ইতিহাস নির্মাণে খালেদা জিয়া কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন। আর বাংলাদেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সক্রিয় নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।”
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি।”
যুক্তরাজ্য হাই কমিশন শোকবার্তায় বলেছে, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ের কথা জেনে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। কষ্টের এই সময়ে তার পরিবার, বন্ধু এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক শোক জানাচ্ছি আমরা।”
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ৪০ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোর ৬টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে আসা খালেদা জিয়া চার দশকের বেশি সময় বাংলাদেশের অন্যতম বড় দল বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিন দফায় দশ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে করেছেন দেশ শাসন।
তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছে ঢাকায় অবস্থিত রুশ দূতাবাসও। তাদের শোকবার্তায় বলা হয়, “বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যৃর কথা জেনে ঢাকায় রুশ দূতাবাস গভীরভাবে মর্মাহত।
“তিন মেয়াদে সরকার প্রধান হিসাবে আমাদের দেশের সঙ্গে তিনি যে আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন, রাশিয়া তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার পরিবার, বন্ধু ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আমরা আন্তরিক শোক জানাচ্ছি।”
শোকবার্তায় ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেছেন, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সম্মানিত চেয়ারপারসন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি।
“তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতা ও কর্মীদের এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”
জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সর্বজন শ্রদ্ধেয় বেগম জিয়া দুইবার জাপান সফর করেন এবং জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
“দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তার নিবেদিতপ্রাণ অবদান ও অসামান্য কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পরম করুণাময় যেন তার আত্মাকে চিরশান্তি দান করেন।”