'ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইনের’ খসড়ায় মন্ত্রিসভার সায়
আমদানি নীতি আদেশের খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে, যেখানে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্র বৃদ্ধি ও উৎসাহ যোগাতে 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬' এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
আর ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে নিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে 'জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রের (২০২৬-২০৩০)' খসড়ায়।
এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রেখে 'আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯' এর খসড়াতেও সায় দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়। জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে হওয়া এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত কর্তৃপক্ষ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "প্রস্তাবিত আইনটি বর্তমান সরকারের ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
“এটি সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। এ আইন বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমাবে।”
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, " নিরাপদ, সাশ্রয়ী, টেকসই ও নিম্ন-কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে।
"কৌশলপত্রের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করা এবং কার্যকর চাহিদা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা।”
আমদানি নীতি আদেশের খসড়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলসির পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক উভয় খাতের প্রতিষ্ঠানের জন্য মূল্যসীমা নির্বিশেষে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।
