Published : 10 Feb 2026, 03:03 PM
গাইবান্ধার সাত উপজেলায় অবস্থিত পাঁচটি সংসদীয় আসনের ৬৭৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
এর মধ্যে ৭৯টি কেন্দ্রকে ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
গাইবান্ধা জেলায় মোট ভোটার ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে মোট ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩২ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৮ জন।
নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল জানান, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আট জন প্রার্থী। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৩টি। এর মধ্যে ৪১টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১১টি অতিঝুঁকিপূর্ণ।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসন একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এখানে প্রার্থী সাত জন। ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। এর মধ্যে ৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১১টি অতিঝুঁকিপূর্ণ।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনটি একটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৬টি। এর মধ্যে ৮৭টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৭টি অতিঝুঁকিপূর্ণ।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনটি একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এখানে প্রার্থী রয়েছেন ছয় জন। ভোটকেন্দ্র ১৪২টি। এর মধ্যে ১০৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৫ টি অতিঝুঁকিপূর্ণ।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনটি ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এখানে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৬টি। এর মধ্যে ৯০টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৫টি অতিঝুঁকিপূর্ণ।
রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, নির্বাচন নিরাপদ করতে ১ হাজার ১০০ জন সেনা সদস্য, ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৫ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ সদস্য ও ১৪টি র্যাব টহল দল মাঠে থাকবে।
সাধারণ ভোট কেন্দ্রে দুইজন পুলিশ সদস্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী আনসার এবং তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য দায়িত্বে থাকবেন বলে জানান তিনি।