Published : 07 Feb 2013, 01:17 PM
বৃহস্পতিবার নয়া পল্টনে এক সমাবেশে তিনি বলেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের একটি রায়কে কেন্দ্র করে আজ বির্তকের সৃষ্টি করা হয়েছে।”
“আমরা সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, যত বিতর্ক ও ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হোক না কেন, নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের আন্দোলন চলবেই।”
দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্রে খালেদা জিয়ার নিবন্ধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনার জবাবে যুবদলের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মওদুদ।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন সাজা দিলে তা প্রত্যাখ্যান করে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে।
এই আন্দোলন থেকে কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের দাবি জানানো হচ্ছে।
জোটশরিক জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধে এই রায় নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিএনপি।

নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, “এই দুটি প্রতিষ্ঠান সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা দেয়ার জন্য নতুন করে সীমানা নির্ধারণ করছে নির্বাচন কমিশন।”
নির্দলীয় সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের আন্দোলন জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মওদুদ বলেন, “সরকারকে বলব, আন্দোলনে যতই বাধার সৃষ্টি করুন, আন্দোলন ততই শক্তিশালী হবে।”
“প্রধানমন্ত্রী নিজেই সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নৌকায় ভোট চাচ্ছেন। এ থেকে প্রমাণ হয় যে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা আরো কত নিকৃষ্ট হবে।”
সমাবেশের পর নয়া পল্টন থেকে একটি মিছিল শুরু হয়ে মগবাজারে গিয়ে শেষ হয়।
যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, সাইফুল আলম নিরব, আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
এছাড়া জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে নয়া পল্টনে বিক্ষোভ মিছিল হয়।