হাজার মাইল দূরে বসেও রানির শেষযাত্রার সাক্ষী হল বিশ্বের মানুষ

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষবিদায় জানাতে দেশে দেশে ব্রিটিশ দূতাবাস, কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়েছে মানুষ। বাদ যায়নি ক্যাফে, বার কিংবা অন্য জনসমাগম এলাকাগুলোও।

রয়টার্সবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 19 Sept 2022, 04:21 PM
Updated : 19 Sept 2022, 04:21 PM

কেবল যুক্তরাজ্যই নয়, বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষ হাজার হাজার মাইল দূরে বসেও রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষযাত্রার সাক্ষী হয়েছে।

রানিকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে দেশে দেশে ব্রিটিশ দূতাবাস, কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়েছে মানুষ। বাদ যায়নি ক্যাফে, বার কিংবা অন্যান্য জনসমাগম এলাকাগুলোও।

হংকংয়ে শত শত মানুষ ফোনে রানির শেষযাত্রা দেখেছে। রানিকে শ্রদ্ধা জানাতে আগে থেকেই সেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পর্দায় রানির শেষকৃত্যানুষ্ঠান দেখতে মানুষ পাবে ভিড় করেছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে একটি বারের মালিক রানিকে শ্রদ্ধা জানাতে নিজের হাতে রানির নতুন ট্যাটু এঁকেছেন।

তার কথায়, “তিনি (এলিজাবেথ) আমাদের রানি নন। কিন্তু তিনি ৭০ বছর ব্রিটেন শাসন করেছেন। এরকম দীর্ঘ শাসক ছিলেন মাত্র আরেকজন, লুইস। তাই রানির শাসনও এমনই এক ইতিহাস।”

হংকংয়ে ব্রিটিশ কনস্যুলেট জেনারেলের বাইরে জড়ো হওয়া এক আইটি কর্মকর্তা ভিক্টর লাই বলেন, “তার (রানি) উপস্থিতি মূলত সব জায়গায়। হাসপাতাল, স্কুল এমনকী রাস্তারও নাম এখন পর্যন্ত আছে রানির নামে।”

হংকংয়ের এই কনস্যুলেটের সামনে মেমোরিয়াল বইয়ে সাক্ষর করার জন্য গত ১০ দিন থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় থেকেছে মানুষ। ফুল, হাতে লেখা বার্তা, ছবি, মোমবাতি দিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানিয়েছে তারা।

রানি হংকংয়ের রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে ছিলেন ৪৫ বছর। তার আমলে দ্রুত উন্নয়ন হয়েছে, যাকে কেউ কেউ বলে থাকেন স্বর্ণ যুগ।

১৯৯৭ সালে হংকং চীনের শাসনে ফিরে যাওয়ার পর সেখানে কোনও রাজতন্ত্র নয় বরং ব্রিটিশ সরকার ভূমিকা পালন করেছে। কোনও কোনও সময় চীনের শাসনের সমালোচনা করে ব্রিটিশ সরকার চীনকে ক্ষেপিয়েও তুলেছে।

বাহরাইনে প্রবাসী ব্রিটিশরা রাজধানী মানামায় সেন্ট ক্রিস্টোফার ক্যাথেড্রালে রানিকে শেষবিদায় জানিয়েছে। দক্ষিণ স্পেনের কোস্টা ডেল সোল শহরের ব্রিটিশরা একটি ক্যাফে এবং কাছাকাছি একটি বারে বসে রানির শেষকৃত্য দেখেছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক