দিল্লিতে ককরোচ পার্টির সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড়, গ্রেপ্তার অন্তত ১৫০০
ককরোচ জনতা পার্টির সমাবেশকে ঘিরে গ্রেপ্তারদের মধ্যে ভারতের চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও আছেন।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়ে ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করছে সিজেপি।
শনিবার সিজেপির সমাবেশকে ঘিরে গ্রেপ্তারদের মধ্যে ভারতের চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আছেন। তারা হলেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এএপি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিপিআই(এম)এর নেতা পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় মমতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার সঙ্গে আটক তৃণমূলের বাকি নেতাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
দেশটির আরেক গণমাধ্যম এনডিটিভি ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করার খবর দিলেও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলেছে, দিল্লিতে আটক হয়েছেন অন্তত ৬ হাজার জন।
সিজেপির সমাবেশে যোগ দিতে আসার চেষ্টা করতে থাকা এসব লোকজনকে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নয়া দিল্লির অনেকগুলো স্থানে আটকে রাখা হয়েছে।
সিজেপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে দিল্লিজুড়ে ব্যাপক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড বসিয়ে অবাধ চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সিজেপিকে বিক্ষোভ সমাবেশের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।
নেহা বোরার নেতৃত্বাধীন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এআইএসএ যন্ত্রর মন্তর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে দিল্লি হাটের কাছে ধর্নায় বসার ঘোষণা দিয়েছিল। এখানে সমবেত হওয়া লোকজনকে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।
পরে পুলিশের সূত্রগুলো এনডিটিভিকে জানিয়েছে, নারী ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে। আর নগরীতে মোতায়েন করা পুলিশ রোববার পর্যন্ত একই অবস্থান বজায় রাখবে।
