১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

স্যাটেলাইট ছবিতে প্রকাশ্যে এল সোলেদার শহরের ধ্বংসযজ্ঞ

পূর্ব- ইউক্রেইনে লবণখনির এই শহরের দখল নিয়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের মধ্যে লড়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে ছবিতে।

স্যাটেলাইট ছবিতে প্রকাশ্যে এল সোলেদার শহরের ধ্বংসযজ্ঞ

ছবি: বিবিসি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Jan 2023, 11:59 PM

Updated : 13 Jan 2023, 12:45 AM

পূর্ব- ইউক্রেইনে লবণখনির শহর সোলেদারের দখল নিয়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র উঠে এসেছে স্যাটেলাইটে তোলা নতুন প্রকাশিত কিছু ছবিতে।

আগের তোলা কিছু ছবির সঙ্গে পরে তোলা ছবিগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোলেদারে ধ্বংস হওয়া বিভিন্ন কাঠামোর মধ্যে রয়েছে একটি স্কুল এবং কয়েকটি কৃষিভবন। তাছাড়া, দোনেৎস্কে এই শহরটির চারপাশের ভূখন্ড এবং রাস্তাজুড়ে রয়েছে বোমার আঘাতে সৃষ্ট গর্তের চিহ্ন।

কৃষি গুদাম ধ্বংস:

Image

ছবি: বিবিসি

বেশির ভাগ ক্ষয়ক্ষতিই হয়েছে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে রাশিয়া বাহিনী শহরটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করার পর। সোলেদার শহরের কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মতবিরোধ আছে। তবে রাশিয়া শহরটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে সেটি হবে ক্রেমলিনের জন্য এক প্রতীকী জয়।

স্কুলভবন ধ্বংস:

Image

ছবি: বিবিসি

Image

ছবি: বিবিসি

রাশিয়ার ওয়াগনার ভাড়াটে সেনাদল সোলেদার দখলের ঘোর লড়াইয়ে লিপ্ত। গোষ্ঠীটির প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন এক পর্যায়ে এসে দাবি করছেন যে তার যোদ্ধারা শহরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং তার সেনারাই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের বাহিনী লড়াইয়ে জড়িত। ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বুধবার বলেছেন, তুমুল লড়াই চলছে। ওয়াগনার বাহিনী ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি মাক্সার স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, কীভাবে শহরটির মাঠে-ময়দানে ইউক্রেইনের ট্রেঞ্চগুলো রাশিয়ার গোলা হামলার নিশানা হচ্ছে।

ইউক্রেইনের পতিরক্ষা অবস্থানে গোলা হামলা:

Image

ছবি: বিবিসি

Image

ছবি: বিবিসি

সোলেদার কব্জা করতে পারলে কাছের নগরী বাখমুতে আক্রমণ শানানো রাশিয়ার জন্য সহজ হয়ে যাবে। রুশ বাহিনী শহরটির পরিসরের মধ্যেই গোলা হামলা চালানোর একটি নিরাপদ অবস্থান পাবে।

সোলেদার শহরে আছে গভীর লবণখনি। রাশিয়া সেনা এবং সাজ সরঞ্জাম রাখার জন্য সেইসব খনি কাজে লাগাতে পারবে। আর এ খনি তাদেরকে ইউক্রেইনের ক্ষেপণাস্ত্র থেকেও সুরক্ষা দেবে।

এরপর বাখমুত নগরী দখলে নেওয়াটা হবে পূর্ব ইউক্রেইনে রাশিয়া বাহিনীর জন্য আরও বেশি প্রয়োজনীয় একটি অগ্রগতি; বলেছেন, রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিস ইন্সটিটিউট এর কর্মকর্তা এডওয়ার্ড আরনল্ড। যদিও তিনি বলেন, যুদ্ধের ফলাফলের ক্ষেত্রে এই নগরীর কৌশলগত গুরুত্ব তেমন একটা নেই।

কয়েকমাসের ‍তুমুল লড়াইয়ে নগরীটি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউক্রেইনের অন্যান্য স্থানে রুশ বাহিনী পিছু হটলেও বাখমুতে রাশিয়া হামলা চালিয়েই যাচ্ছে।

বাখমুতে ধ্বংসযজ্ঞ:

Image

ছবি: বিবিসি

Image

ছবি: বিবিসি