Published : 20 Aug 2024, 04:35 PM
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ।
সম্প্রতি আরজি কর মেডিকেলের ৩১ বছর বয়সী একজন শিক্ষানবিশী নারী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন। ওই হাসপাতালেরই এক সেমিনার রুম থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সরকারি হাসপাতালের আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করছে। ২০২১ সাল থেকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিষয়টিকে এখন আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
মহাপরিদর্শক প্রণব কুমারের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দলে রয়েছেন সহকারী মহাপরিদর্শক সৈয়দ ওয়াকার রাজাসহ সিআইডির ডিআইজি ও কলকাতা পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার।
আরজি কর হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের দ্বায়িত্বকালীন সময়ে আর্থিক লেনদেনে কোনো অনিয়ম আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখবে এই তদন্তকারী দল।
ঘটনার মাত্র দু'দিন পরেই আরজি কর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া সন্দীপ ঘোষকে গত চার দিন ধরে প্রায় ৫৩ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের কলকাতার কার্যালয়ে।
মূলত ধর্ষণ-হত্যার ঘটার পর ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানাতে দেরি করায় এবং ঘটনার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ আন্দলনকারীরা। তারা অধ্যক্ষের দুর্নীতির বিরুদ্ধে নানান প্রশ্ন তুলে ধরেন।
সিবিআইয়ের তদন্তে ইতিমধ্যেই ধর্ষণ-হত্যাকান্ডে প্রধান সন্দেহভাজন সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এখন এই অপরাধে অন্যরা জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই।
সন্দীপ ঘোষের পদত্যাগ সত্ত্বেও তাকে ঘিরে নানা বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্বাস্থ্য় অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষকে অন্য কোনও মেডিকেল কলেজে নিয়োগ করা যাবে না।
আরও পড়ুন: