জাপানে ঘূর্ণিঝড়: লাখো মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ

২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৫০০ মিলিমিটারে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেইসঙ্গে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 17 Sept 2022, 05:19 PM
Updated : 17 Sept 2022, 05:19 PM

জাপানে আঘাত হানতে চলেছে সুপার টাইফুন ‘নানমাদোল’। যার আঘাতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কায় ‘নজিরবিহীন ঝুঁকি’ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড়টি রোববার কিউশু দ্বীপের কাগোশিমা অঞ্চল দিয়ে ভূখণ্ডে উঠে আসতে পারে। ওই সময়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়ের সঙ্গে ভারি এবং অতি ভারি বর্ষণের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৫০০ মিলিমিটারে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেইসঙ্গে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে।

ঝড়ের সতর্কতা হিসেবে এরইমধ্যে কিউশু দ্বীপে ট্রেন ও বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

যে চারটি দ্বীপ জাপানের মূলভূখণ্ডের কেন্দ্রে অবস্থিত তার সর্বদক্ষিণের দ্বীপ কিশুদা। যেখানে এক কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস।

কিশুদার উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে জাপানের মধ্যাঞ্চল পেরিয়ে রাজধানী টোকিওর দিকে যাবে বলে ধারণা প্রকাশ করেছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তবে ভূখণ্ডে উঠে যাওয়ার পর ঘূর্ণিঝড়টি দ্রুত শক্তি হারাবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই রাজধানীতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হবে না।

জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ঘূর্ণিঝড় নানমাদোল ২০১৮ সালে দেশটিতে আঘাত হানা জেবি এবং ২০১৯ সালে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় হাগিবিসের চেয়েও প্রলয়ঙ্কারী হতে পারে।

জেবি ঘূর্ণিঝড় ১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। আর হাগিবিসের তাণ্ডবে জাপানের বিস্তৃত অঞ্চল বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক