Published : 01 Aug 2026, 01:52 PM
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে ওমানের খাসাব উপকূলের অদূরে একটি তেলবাহী জাহাজের কাছাকাছি বিস্ফোরণে খবর দিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য তদারকি সংস্থা ইউকেএমটিও।
অন্যদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের আটটি তেলবাহী জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।
আর কুয়েতের সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রতি ‘শক্রপক্ষের ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করেছে।
শনিবার আল জাজিরা লিখেছে, ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ৩৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে তেলবাহী জাহাজের কাছে যে বিস্ফোরণ হয়েছে, তাতে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। জাহাজটির কাছাকাছি বড় আকারে পানি চলকে উঠতে দেখা গেছে।
ইউকেএমটিও বলেছে, কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা তদন্ত করছে। ওই এলাকায় জাহাজ সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু দেখা গেল জানাতেও বলা হয়েছে তাদের।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি দাবি করেছেন, সৌদি তেলবাহী জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনের বাধ্য করার দারি করলেও কোন সময় ঘটনা ঘটেছে, তা বলেনি।
তিনি বলেন, “সশস্ত্র যোদ্ধারা নিশ্চিত করেছেন যে সৌদি শত্রুর বিরুদ্ধে তাদের অবরোধ অভিযান চলবে ।”
আল জাজিরা লিখেছে, ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র হামলার শুরু করার পর গেল ২০ জুলাই হুতি বিদ্রোহীরা সমুদ্রপথে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অবরোধের ঘোষণা দেয়।
এক বিবৃতিতে কুয়েতের সেনাবাহিনী ড্রোন হামলার জন্য ‘ইরানের আগ্রাসনকে’ দায়ী করেছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছে, সামনে কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে, তা হবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলার প্রতিরোধের কারণে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মাত্র কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছিলেন।
জুনে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নিয়েছে। পশ্চিম এশিয়াজুড়েই এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।