১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় গতি আনতে তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

এখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে লড়াই বন্ধ থাকলেও সংঘাত অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।

মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় গতি আনতে তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী
কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানি। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Aug 2026, 11:02 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:54 PM

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আবার শুরু করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার তেহরান যাচ্ছে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানি। 

ওয়াশিংটন ইরানের বাণিজ্যে অংশীদারদের নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যস্থল করে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। সরাসরি লড়াই বন্ধ থাকলেও এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে আর এ পরিস্থিতির জন্য দুপক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছে। 

রয়টার্স লিখেছে, ইরানের পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশী কাতার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। দেশটি পর্দার আড়ালে যুদ্ধরত দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্বপালন করছে। কাতার জুন মাসের যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিল, যার ফলে অল্প সময়ের জন্য সংঘাত বন্ধ ছিল।   

প্রায় ছয়মাস ধরে চলা যুদ্ধে এখন লড়াই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বন্ধ থাকলেও সংঘাত অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এ পরিস্থিতিতেই তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। 

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বাকায়ি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আল-থানি বৃহস্পতিবার তেহরান সফরকালে কাতারের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা এবং ওই অঞ্চলের অন্যান্য অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। 

এক্স এ কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আল-থানি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি যে অবস্থায় ছিল তাতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কথা বলবেন। পাশাপাশি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘উত্তেজনা প্রশমন এবং আলোচনার অনুকূল পরিবেশ তৈরির’ উপায় নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে।  

প্রায় এক মাস হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ওপর কোনো হামলার কথা জানায়নি। দুপক্ষের বন্দুকগুলো নিশ্চুপই আছে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন কঠোর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানকে তার বাণিজ্যিক অংশীদারদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।