১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউক্রেইনের নৌ-ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ‘তেলবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত’

তুরস্কের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির বসফরাস প্রণালি এলাকায় দুটি ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণ ঘটার পর আগুন ধরে গেছে।

ইউক্রেইনের নৌ-ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ‘তেলবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত’
কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার একটি তেল ট্যাঙ্কার নৌ-ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Nov 2025, 11:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:13 PM

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় একটি বন্দরের দিকে এগোতে থাকা দেশটির তেল রপ্তানিতে ব্যবহার করা দুই ট্যাঙ্কারে ইউক্রেইনের নৌ-ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে ইউক্রেইনীয় এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন।  

ইউক্রেইনের গোয়েন্দা সংস্থার ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ট্যাঙ্কার দুটিকে কাইরোস ও বিরাত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। ট্যাঙ্কার দুটি রাশিয়ার নভরোসিয়েস্ক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। 

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল এই নভেরোসিয়েস্ক বন্দর। 

ওই কর্মকর্তার শেয়ার করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নৌ-ড্রোনগুলো দ্রুত গতিতে বিশাল ট্যাঙ্কারগুলোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তারপর শক্তিশালী বিস্ফোরণে জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায়। 

রয়টার্স স্বতন্ত্রভাবে ওই ভিডিওতে থাকা ট্যাঙ্কারগুলোর পরিচয়, ঘটনার স্থান বা ফুটেজের তারিখের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।  

পরিচয় না প্রকাশ করা শর্তে ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা এক লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, “ভিডিওতে দেখা গেছে, আঘাত লাগার পর দুটি ট্যাঙ্কারই অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এগুলো কার্যত ব্যবহার অযোগ্য হয়ে গেছে। এতে রাশিয়ার তেল পরিবহনে উল্লেখযোগ্য ধাক্কা লাগবে।”   

তিনি জানান, যৌথ অভিযানটি ইউক্রেইনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ ও ইউক্রেইনের নৌবাহিনী পরিচালনা করেছে। তবে কখন এ হামলাটি চালানো হয়েছে তা জানাননি তিনি। 

তুরস্কের কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার দেশটির বসফরাস প্রণালি এলাকায় কাইরোস নামে একটি ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন লেগে যায়। তৎক্ষণাৎ উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

ইউক্রেইনের দাবিকৃত এ হামলার বিষয়ে রাশিয়া প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। 

ইউক্রেইন বারবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রাশিয়ার ‘ছায়া বহর’ এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে। তারা বলছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই নৌবহর রাশিয়াকে বিপুল পরিমাণ তেল রপ্তানি ও ইউক্রেইনে চলমান যুদ্ধে অর্থায়ন করতে সাহায্য করছে।