ইরানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিষেধাজ্ঞা
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছে সেইসব ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান, যারা ইরানে সহিংস পন্থায় বিক্ষোভ দমন এবং রাশিয়ার প্রতি দেশটির সমর্থনে জড়িত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছে সেইসব ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান, যারা ইরানে সহিংস পন্থায় বিক্ষোভ দমন এবং রাশিয়ার প্রতি দেশটির সমর্থনে জড়িত। ইইউ কূটনীতিকরা বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন।
ইউরোপীয় ইউনিঢনের মন্ত্রীরা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)- কে ইইউ’র সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করতেও রাজনৈতিক একটি চুক্তিতে পৌঁছবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এর ফলে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং আল-কায়েদার মতো জঙ্গি সংগঠনের মতো একই শ্রেণীতে পড়বে। এর মধ্য দিয়ে ইরানের নেতাদের প্রতি ইইউ’র দৃষ্টিভঙ্গিন প্রতীকী পরিবর্তন ঘটবে।
ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন কিছু ইইউ সদস্য দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করতে অনিচ্ছুক ছিল। তবে প্যারিস বুধবার বলেছে, তারা আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করতে সমর্থন দেবে।
এর ফলে পদক্ষেপটি অনুমোদন পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। যদিও এ ধরনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন পেতে ইইউ এর ২৭ টি সদস্য দেশের সর্বসম্মতি লাগে।
১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের পর ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই বাহিনী ইরানের রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক বাহিনীর বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি দেখভাল করে।
