১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি ইয়েমেনের হুতিদের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শান্তি বিঘ্নিত করতে থাকলে হুতি বিদ্রোহীরা বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের পদক্ষেপ নিতে পারে-বলেছেন- ইয়েমেনের হুতি সরকারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি ইয়েমেনের হুতিদের
ছবি: এক্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Apr 2026, 11:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:26 PM

হরমুজ প্রণালি নিয়ে সংকটের মধ্যে আরও এক প্রণালি বন্ধের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এবার ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি হুমকি দিয়েছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার।

রাজধানী সানায় হুতি সরকারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেইন আল আজ্জি বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শান্তি বিঘ্নিত করতে থাকলে হুতি বিদ্রোহীরা বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের পদক্ষেপ নিতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে হুসেইন আল আজ্জি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সানা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা আবার খোলার ক্ষেত্রে কোনও শক্তিই কাজে আসবে না।

ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার সহযোগীদের জন্য সবচেয়ে ভাল পথ হল, এমন কাজ থেকে বিরত থাকা, যা শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

একইসঙ্গে ইয়েমেনের জনগণ এবং দেশটির অধিকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সম্মান প্রদর্শন করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, বলেন আজ্জি।

লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণই বেশি।

বর্তমানে দিনে প্রায় ৮৮ লক্ষ ব্যারেল খনিজ তেল পরিবহণ হয় বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে। তাছাড়া, এই পথে চলাচল করে বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ১০-১২ শতাংশ পণ্য।

ইরানের হরমুজ প্রণালি নিয়ে অচলাবস্থা এখনও চলছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর পরই থেকেই ইরান কার্যত হরমুজ ‘অবরোধ’ করে রেখেছে।

তারা স্পষ্ট জানিয়েছিল, কোনও জাহাজকে এই জলপথ পার হতে দেওয়া হবে না। কেউ পার করার চেষ্টা করলে, সেখানে হামলা চালানো হবে।

 তবে পরে বেশ কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে হরমুজে জাহাজ চলাচলে ছাড় দেয় ইরান। তার পর থেকে কিছু জাহাজ হরমুজি পাড়ি দিয়েছে। 

তবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে হরমুজে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালিও বন্ধ হয়, তবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট আরও প্রকট হতে পারে।