১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদুরো এখন ব্রুকলিনের আটককেন্দ্রে, তার কী হতে পারে?

নিউ ইয়র্ক পৌঁছানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার দপ্তরে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে পরে তাকে ব্রুকলিনের আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

মাদুরো এখন ব্রুকলিনের আটককেন্দ্রে, তার কী হতে পারে?
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jan 2026, 09:58 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:30 PM

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে।

শনিবার ভেনেজুয়েলায় গ্রেপ্তারের পর মাদুরোকে কারাকাস থেকে একটি মার্কিন হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘাঁটিতে নেওয়া হয়।

এরপর কিউবা হয়ে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিইএ এর দপ্তরে নেওয়া হয়েছিল।

মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের পর তাকে ব্রুকলিনের আটককেন্দ্রে নেওয়া হল। ম্যানহাটনের ডিইএ কার্যালয় থেকেই ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে মাদুরোকে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে মাদক ও অস্ত্র মামলায় আদালতে মুখোমুখি হওয়ার আগে মাদুরোকে এই কেন্দ্রেই রাখা হবে। সোমবার মাদুরোকে আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও মাদুরো সঙ্গে আটক করা হয়েছিল।  তবে ফ্লোরেস এখন কোথায় আছেন সে সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু এখনও জানা যায়নি।

বিবিসি জানিয়েছে, মাদুরোকে ব্রুকলিনের যে আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে  সেটি নিউ-ইয়র্কের একমাত্র ফেডারেল জেল। সেখানে বহু কুখ্যাত অপরাধীকে রাখা হয়।

এর মধ্যে আছে- অতীতের কুখ্যাত যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টিন ও তার প্রেমিকা ম্যাক্সওয়েল সহ সাম্প্রতিককালে যৌন ব্যবসায় নারীদের প্রলুব্ধ করায় অভিযুক্ত র‌্যাপার ও সংগীত উদ্যোক্তা শন 'ডিডি' কম্বসও।

অত্যন্ত কঠোর পরিবেশের জন্যও জেলটি পরিচিত। তাছাড়া এই জেলে সহিংস ঘটনা ঘটে এবং পর্যাপ্ত তদারকিও নেই বলে অভিযোগ আছে। 

জেলটিতে একবার এক আসামীর বারবার ছুরিকাহত হওয়া এবং কোনও চিকিৎসা সুবিধা না পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। উল্টো ওই আসামীকে ২৫ দিন সেলে বন্ধ রাখা হয় বলে অভিযোগ আছে।