২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী বহর ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে হাজির হওয়ার আগে তিনি একথা বলেছেন।

যে কোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান
তেহরানের একটি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক ইরান নারী। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jan 2026, 01:03 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:47 PM

ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে তারা। 

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী বহর ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে হাজির হওয়ার আগে শুক্রবার তিনি একথা বলেছেন। 

পরিচয় না প্রকাশ করার শর্তে রয়টার্সকে তিনি বলেন, “এই সামরিক শক্তি বৃদ্ধি- আমরা আশা করছি এটা সত্যিকার সংঘর্ষের উদ্দেশ্যে নয়- তবে আমাদের সামরিক বাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছে। এই কারণেই ইরানে সবকিছু উচ্চ সতর্কাবস্থায় আছে।” 

তিনি আরও বলেন, “এবার আমরা যে কোনো হামলাকে- সীমিত, সীমাহীন, সার্জিক্যাল, কাইনেটিক, তারা এগুলোকে যাই বলুক- আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে গণ্য করবো আর এর নিষ্পত্তি করতে সম্ভাব্য কঠোরতম উপায়ে প্রতিক্রিয়া জানাবো।” 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘বিশাল রণতরী বহর’ ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তাকে এটি ব্যবহার করতে হবে না, এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বা পারমাণবিক কর্মসূচী ফের শুরু করার বিষয়ে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন; জানিয়েছে রয়টার্স। 

ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, “যদি আমেরিকানরা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে আমরা জবাব দেবো।”  

তবে ইরানের জবাব কী ধরনের হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে অস্বীকার করেন তিনি। 

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক হুমকির মুখে থাকা একটি দেশের এটি প্রতিরোধ করতে তাদের আয়াত্তের মধ্যে থাকা সবকিছুর ব্যবহার নিশ্চিত করা আর সম্ভব হলে ইরানে আক্রমণ করার সাহস করে এমন যে কারও বিরুদ্ধে ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”  

অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তীব্র উত্তেজনার সময় প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠিয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের অধিকাংশই প্রতিরক্ষামূলক ছিল। কিন্তু গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলার আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী ওই অঞ্চলে বড় ধরনের শক্তি বৃদ্ধি করেছিল।