২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
স্মারকলিপিতে বলা হয়, “নির্বাচনের নিরাপত্তায় বডি-ওয়র্ন ক্যামেরা না থাকলে নির্বাচনের দিন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।”
২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলার পর ২৩ দফার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মাঠে আসে ১৪ দলীয় জোট।
“আমরা ১৪ দলীয় জোটগতভাবে কোথাও একত্রিতও হইনি বা কোনো কথাও হয়নি। আমরা স্বাভাবিকভাবে আমাদের দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি,” বলেন জেপি নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম।
“ব্লগার ও মুক্তচিন্তার মানুষ হত্যার যে রাজনীতি করে গেছে জামায়াত, তার পরিপূর্ণ বিচার আজও হয়নি,” বলেন ইমরান এইচ সরকার।
“গত ৫৩ বছরেও তার নীতি আদর্শের পরিবর্তন ঘটেনি। কাজেই এই নিষিদ্ধকরণ ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি “
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলে, সাধারণ জ্ঞান ও দালিলিক প্রমাণাদি থেকে এটা স্পষ্ট যে, জামায়াত ও এর অধীনস্ত সংগঠনের প্রায় সবাই সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা জামায়াতকে ১৯৭২ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারের’ কারণে। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে তারা রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পায়।
“সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এর ১ ধারা অনুযায়ী জামায়াত, শিবির ও এর অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে।”