২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
আইনি নিষেধাজ্ঞা আর জনগণের প্রতিবাদের পরও থামছে না উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী লুটের মহোৎসব। যাদুকাটা, পাটলাই কিংবা ধোপাজানের এই আর্তনাদ কবে শুনবে রাষ্ট্র?
প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করে নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করতেও বলেছেন তারেক রহমান।
“হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে আগামী তিন মাস কৃষক পরিবারকে সহায়তা করা হবে।”
কালবৈশাখী ঝড় ও ভারি বৃষ্টিপাত নিয়ে পৃথক দুটি বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে বন্যা পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত পাউবোর মাঠ পর্যায়ের দপ্তরগুলো থেকে সংগ্রহ ও প্রচার করা হবে।
“ঘরে থাকা ধান বেচার নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ সব মালামালই পুড়ে গেছে। আমরা সর্বস্ব হারিয়েছি।”
সহনীয় করে আনতে হবে আগ্রাসী হয়ে ওঠা গ্রীষ্মের প্রভাব। প্রয়োজনমতো বৃষ্টি না হলে জমিতে সেচ সুনিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকেই। আর তাপপ্রবাহে গ্রাম কেন ব্যতিক্রমহীনভাবে লোডশেডিংয়ের শিকার– জরুরি এ প্রশ্নও তুলতে হবে।