২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তারাটির এ বিশেষ রাসায়নিক গঠন সম্ভবত আদিম কোনো সুপারনোভা বিস্ফোরণের ফলেই তৈরি হয়েছে।
এ কাজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘অল লেন্স’ টেলিস্কোপ এবং বিশেষ কিছু ফিল্টার ব্যবহার করবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাসের অনেক ক্ষীণ আলোও দেখতে পায়।
সূর্যে যেভাবে প্রচণ্ড তাপে হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো মিলিত হয়ে শক্তি তৈরি করে পৃথিবীতে ঠিক সেই প্রক্রিয়াটিই ঘটানোর চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
প্রথম ছায়াপথের সময়ে যদি পানি গঠিত হতে পারে তাহলে কোটি কোটি বছর আগে তৈরি বিভিন্ন গ্রহের প্রাথমিক বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে পানি।
মানুষের বেঁচে থাকার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল পানি। বিশেষ করে, ভবিষ্যতে চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি কোনো মিশনের বেলায়।
‘ডার্ক অক্সিজেন’ নামের এ ঘটনাটি সমুদ্রের চার হাজার মিটার গভীরতায় দেখা গেছে, যেখানে আলো প্রবেশ করে না ও সালোকসংশ্লেষণও সম্ভব হয়ে ওঠে না।
শুক্র ও পৃথিবী আকারে প্রায় সমান। একসময় ধারণা করা হত, গ্রহ দুটিতে একই পরিমাণ পানি আছে। তবে এখন পৃথিবীর তুলনায় একেবারে শুষ্ক গ্রহটি।