২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
“চীনকে এখন বিশ্ব কীভাবে দেখবে, ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে,” মনে করেন বিশ্লেষক হু শিজিন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি সইয়ের কয়েকঘন্টা পরই সৌদি পতাকাবাহী এই তেল ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে। তবে চুক্তি উপেক্ষা করে ইসরায়েল এখনও লেবাননে হামলা চালাচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদে এই রেলপথ ওমান এবং ভারত মহাসাগর পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে একটি বিকল্প বাণিজ্য কারডোর প্রতিষ্ঠা করা।
লেবাননে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযানের জেরে এবার ইরান ও এর আঞ্চলিক মিত্ররা লোহিত সাগরের এই প্রণালিসহ ‘অন্যান্য ফ্রন্ট সক্রিয় করার’ কথা ভাবছে।
এখনও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে থাকা এই জলপথ দিয়ে গত তিন সপ্তাহে প্রায় ৭০টি জাহাজ পার করিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টাল কমান্ড। টের পায়নি ইরান।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ার করে দিয়ে এও বলেছেন যে, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে বোমা হামলা আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হবে।
দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে দুপক্ষ ইসলামাবাদে আলোচনায় বসবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এ নৌ অবরোধের ফলে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল বিশ্ব বাজারে পৌঁছতে পারবে না। এতে বিশ্বে তেল সরবরাহ আরও সংকটে পড়বে।