৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
এ পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি স্টারবেইসে প্রাকৃতিক গ্যাস নেবে স্পেসএক্স, যাতে সেখানে একে তরল মিথেনে রূপান্তর করে স্টারশিপ রকেটে ব্যবহার করা যায়।
কোম্পানিটির সাড়ে সাত হাজার কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহের বিপরীতে বাজারে প্রায় ১৫ হাজার কোটি ডলারের দ্বিগুণ চাহিদা দেখা গেছে।
মহাকাশ জয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় রকেট বিস্ফোরণে বিপন্ন হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী। বিজ্ঞান জয়ের এ যাত্রা কি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে পৃথিবীর ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রকে?
ব্লু অরিজিনের এ বিস্ফোরণের ভিডিও দেখে মাস্ক নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। রকেট তৈরি করা আসলেই কঠিন কাজ।”
উৎক্ষেপণের পর রকেটের দ্বিতীয় অংশটি সফলভাবে ভারত মহাসাগরে অবতরণ করলেও মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ পুরো প্রক্রিয়ায় বড় ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে।
এ নতুন রকেটটি এর আগের বিভিন্ন সংস্করণকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেটের খেতাব কেড়ে নিয়েছে।
আইপিওর সময় স্পেসএক্স তাদের বাজারমূল্য ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার দাবি করতে পারে। সেটা সত্যি হলে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এ কোম্পানির বাজারমূল্য বেড়ে প্রায় দেড়গুণ হবে।
তরল জ্বালানিচালিত রকেটের চেয়ে কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট অনেক সহজ ও দ্রুত ব্যবহার করা যায়। এগুলোর কাঠামো তুলনামূলক সরল।