০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
“এখন আমার প্রধান কাজ হলো এই পেপারবুকটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে স্টাডি করা।”
তাদের মাথায় হেলমেট, শরীরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল।
এই রায়ের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হল।
আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে মামলাটি এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।
সব ঠিক থাকলে হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় এ মামলার রায় ঘোষণা করবে আদালত।
এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছে আদালত।
মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত।