২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
নিহত তাজুল ইসলামের বৃদ্ধ বাবা আবুল খায়ের বলেন, “জীবদ্দশায় এই মামলার বিচার দেখে যেতে পারব কি না, সেইটাও সন্দেহ।”
“মেয়ে তো এখন বড়, বিচারের কথা জিজ্ঞেস করে, কিন্তু উত্তর দিতে পারি না। খুনিগো শাস্তিটা দেখলে অন্তত শান্তি পাইতাম।”
বিচারকের খাস কামরায় দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আকাশের প্রায় ২৬ পৃষ্ঠার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়।
নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে, রাতেই কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা, বলেন নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
“নৌরুটে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
বুধবার আকাশ মণ্ডল ওরফে ইরফানকে কঠোর নিরাপত্তায় চাঁদপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চিতলমারী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
জাহাজের মালিকের পক্ষে মাহবুব মুর্শেদ বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে হাইমচর থানায় মামলাটি করেন।