২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
নতুন বছর বরণ করতে সাংগ্রাই উৎসবে মেতেছেন খাগড়াছড়ির মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। নতুন বছরে অনাবিল সুখ আর শান্তি কামনায় এ উৎসবে পানি খেলায় অংশ নেন মারমা তরুণ-তরুণীরা।
বম, পাংখোয়া ও লুসাই ছাড়া অন্যরা ভিন্ন ভিন্ন নামে বর্ষবরণ সামাজিক উৎসবটি পালন করে থাকে।
“পার্বত্য সমস্যা জাতীয় সমস্যা, সরকার সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে আসলে এটা অবশ্যই সমাধান হবে।”
জলোৎসব কেন্দ্র করে রাঙামাটির মারমা জাতিগোষ্ঠী ছাড়াও চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, বাঙালিসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ মারী স্টেডিয়ামে উদ্যাপন করেছেন সাংগ্রাই উৎসব।
পানি বর্ষণের মাধ্যমে বান্দরবানে চলছে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব। তরুণ-তরুণীরা একে অপরের প্রতি পানি ছিটিয়ে উদযাপন করছেন বছরের অন্যতম এই উৎসব।
নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে হয়ে গেল মারমা সম্প্রদায়ের ‘মাহা সাংগ্রাই’ উৎসব উপলক্ষে বর্ণিল শোভাযাত্রা। রোববার সকালে মারমা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা আপার পেরাছড়ায় গিয়ে শেষ হয়।
শিক্ষিত ও সম্পদশালী পরিবারে গ্রামীণ নিম্নআয়ের মানুষের আগমন কমে গেছে। শৈশবে আমরা শ্রেণি-বর্ণ ভুলে একে অপরের সঙ্গে মিশতাম, উপকরণ বিনিময় করতাম। গ্রামীণ সম্প্রীতির ওই আন্তরিকতা যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
“আমরা আমাদের অধিকার, স্বীকৃতি নিয়ে এই বাংলাদেশেই থাকতে চাই। এই ন্যায্য অধিকারের অস্বীকৃতি সত্যিই দুঃখজনক।”