২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
শত শত সাঁওতাল তীর-ধনুক বাদ্যযন্ত্রসহ মিছিল করে গাইবান্ধা শহরে এসে এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
গ্রেনেডের চাবি খুলতে গিয়ে দাঁত হারালেও সাহস হারাননি জসেব মার্ডি। আজও বলেন—‘স্বাধীন দেশে বাস করছি, এর চেয়ে বড় পাওয়া নেই।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় আদিবাসী-বাঙালিতে ছিল না কোনো ভেদাভেদ। সবার ওপরে ছিল দেশ।
সাপাহারের নারীরা একসময় ফসলের মাঠে কাজ করতেন, কিন্তু কৃষিজমি আমবাগানে পরিণত হওয়ার পর অদ্ভুত কুসংস্কারের কারণে তাদের কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে।
কিডনিজনিত অসুস্থতা নিয়ে গত ১৯ জুন দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি হন ৮ বার লোকসভায় এবং দুইবার রাজ্যসভায় নির্বাচিত এ সাঁওতাল নেতা। স্ট্রোক হওয়ার পর গত মাসেই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।
তীরনিক্ষেপ প্রতিযোগিতা, পদযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় উদযাপিত হয়েছে সাঁওতাল বিদ্রোহ।