০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যখন সরকারি হাসপাতালে জীবন বাঁচাতে বেসরকারি দাক্ষিণ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়, তখন তা আর সাফল্যের গল্প থাকে না, হয়ে দাঁড়ায় চরম লজ্জার।
সোমবার ও বৃহস্পতিবার—এই দুই দিন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।
সংঘর্ষের জেরে ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল শনিবার পুরোদমে চালু হয়েছে।
“আমি সচেতন হলে ঠিক সময়ে আমি আমার স্ত্রীকে ঠিক জায়গায় নিয়ে যাব, সঠিক পুষ্টিকর খাবারটা তাকে খাওয়াব,” বলেন নূরজাহান বেগম।
“লম্বা ছুটিতে রোগীদের যেন ভোগান্তি না হয় এবং জনবল সংকট না হয়- এ কারণে নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে,” বলেন মঈনুল আহসান।
জনগণ যদি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর আস্থা না রাখতে পারে তাহলে তারা বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগানো থেকে বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্যের মাত্রাও বাড়বে।
এক দফা দাবিতে মঙ্গলবার দেশের সব সরকারি হাসপাতালের নার্সদের ছিল চার ঘণ্টা কর্মবিরতি। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল থেকে ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি চলে।
শৌচাগারগুলোরই যেন দরকার চিকিৎসার।