২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
"সন্জীদা খাতুন চেয়েছেন, কী করে ধর্মবিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে জাতিপরিচয়ে ধন্য হয়ে একটা সমাজ গড়া যায়,” বলেন সারওয়ার আলী।
“আমি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই বইমেলায় এসে স্পর্শের এই স্টলে বই পড়ছি।”
“সন্জীদা খাতুন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নৈতিকতার একটি মানদণ্ড স্থাপন করে গেছেন। তার নির্দেশিত পথই হতে পারে আমাদের মুক্তির উপায়।“
সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধায় সিক্ত সন্জীদা খাতুন।
শেষবারের মত নিজের হাতে গড়া ছায়ানটে নেয়া হলো সন্জীদা খাতুনকে; গানে-গানেই বিদায়ী অভিবাদন।
নিজে গান গেয়েছেন, গানের ভেতরে প্রবেশ করছেন, অন্যকে এই গানের জগতে হাত ধরে প্রবেশ করাবার জন্যে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। কিন্তু এটাই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়, তিনি একজন বহুমাত্রিক মানুষ।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাবার পর সন্জীদা খাতুনের মরদেহ রাখা হয়েছে স্কয়ার হাসপাতালে। বুধবার নেয়া হবে ছায়ানটে।
সন্জীদা খাতুনকে নিয়ে হাসান আজিজুল হকের এ লেখাটি নেওয়া হয়েছে আবুল আহসান চৌধুরী ও পিয়াস মজিদ সম্পাদিত ‘বড়ো বিস্ময় লাগে হেরি তোমারে’ নামে প্রকাশিত সন্জীদা খাতুন সম্মাননা স্মারক বই থেকে। বইটি ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল প্রকাশ পায়। হাসান মারা যান এর পরের বছর ১৫ নভেম্বরে। সন্জীদা চলে গেলেন আজ।