২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
“দেশের ব্যাংকিং খাতে একেবারে বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখা দিয়েছে। মানুষ আর ব্যাংকের প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না “
বর্তমানে ছয়মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের সুদহার নির্ধারণ করে আসছে আইআরডির সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর।
তফসিলি ব্যাংকসমূহ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে গ্রাহকদের ‘নিরুৎসাহিত’ করছে বলে অভিযোগ পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
“অর্থাৎ আপনি রপ্তানির জন্য একটা প্রণোদনা পাচ্ছেন, তার ওপরে এখন সাড়ে ২৭ শতাংশ কর দিতে হবে।”
মানুষ যা আয় করছে, তা দিয়ে সংসারই চলছে না। সঞ্চয় করবে কীভাবে; সঞ্চয়পত্র কিনবে কী দিয়ে?
পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে সুদের ওপর আগের মতই কোনো উৎসে কর কাটা হবে না। আর পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুদের ওপর উৎসে কর হবে ১০ শতাংশ।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) মুনাফার আগের হারই বহাল থাকবে।
সাড়ে সাত লাখ বা তার চেয়ে কম টাকার বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফা হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ; সর্বনিম্ন হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।