২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
“ধর্মের নামে যারা সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষা বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন, তারা মূলত একটি মেধাহীন অবিকশিত বুদ্ধির প্রজন্ম গড়ে তোলার ষড়যন্ত্র করছেন।”
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দিয়েছে হাই কোর্ট বেঞ্চ।
সরকারে থাকা সবাই পরিবার-পরিজনসহ প্রয়োজনীয় সেবা কেবল তাদের হাতে গড়া হাসপাতাল ও স্কুল-কলেজ থেকে নিতে বাধ্য থাকবেন—এই একটা সংস্কার করা গেলেই আমরা আমজনতা বর্তে যেতাম।
“সংগীতের শক্তি বক্তৃতার চাইতে অনেক শক্তিশালী। আর তাই সংগীতের মধ্য দিয়েই আজকে আমাদের এই আয়োজন।”
শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
"সংগীতের জন্য বাঙালিকে দাঁড়াতে হবে এমনটা কখনো কল্পনাও করতে পারিছিলাম না।”
“গণ অভ্যুত্থানের পর এ দেশ স্থির ও সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়; তাই হুকুম যখন দিয়েছেন, হুকুমটা বাতিল করেন,” বলেন অধ্যাপক ইসরাফিল শাহীন।
আসক বলছে, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের ক্ষেত্রে এটি একটি ‘অনভিপ্রেত ও পশ্চাদমুখী’ পদক্ষেপ।