১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গল গ্রহের এক পাথুরে এলাকার মধ্য দিয়ে প্রায় চারশ মিটার পথ পাড়ি দিয়েছে পার্সিভ্যারেন্স। ওই পথের ম্যাপ তৈরি করে দিয়েছে অ্যানথ্রপিক-এর চ্যাটবট ক্লড।
মঙ্গলের বুকে ‘ডাস্ট ডেভিল’ নামে পরিচিত নিয়মিত যে ধূলিঝড় বা ঘূর্ণিবায়ু ঘুরে বেড়ায় এর সঙ্গেই মূলত এ বিদ্যুতের যোগসূত্র রয়েছে।
১৯৫৯ সালের জুন থেকে ১৯৬০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ‘কর্পস অফ ইঞ্জিনিয়ার্স’রা ঘাঁটিটি নির্মাণ করেছিল, যা পরিচিতি পেয়েছিল ‘ক্যাম্প সেঞ্চুরি’ নামে।
‘ব্লু অরিজিন’কে পরিকল্পনা করতে ও দেখাতে হবে কীভাবে নিরাপদে চাঁদের পৃষ্ঠে রোভারটি পৌঁছে দেবে তারা। এতে নাসা সন্তুষ্ট হলে তারা হয়ত কাজটি পাবে।
নতুন স্মার্ট আপগ্রেডের কারণে কিউরিওসিটি এখন একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারে এবং নিজের শক্তিকে আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
চাঁদের ধূলি নাসাকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করবে তারা, যা হবে প্রথমবারের মতো পৃথিবীর বাইরে থেকে আনা কোনো সম্পদ বিক্রির ঘটনা।
উটের পায়ের পাতার মডেল তৈরি করে একটি ‘বায়ো-মিমিক্রি’ পদ্ধতিতে কাজ করছে জাপানের টায়ার কোম্পানি ‘ব্রিজস্টোন’।
এ অঞ্চলে কোটি কোটি বছর পুরনো পাথর রয়েছে, যা মঙ্গলের পাথরের সঙ্গে মেলে বলে দাবি তাদের।