২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “উচ্চপদস্থ, নিম্নপদস্থ, সাধারণ মুজাহিদীন বা সেবাকর্মী কারো জন্যই মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি নেই।”
স্কুলের শিক্ষক ও কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন না। অসুস্থতা বা অন্য কোনো বিশেষ চাহিদা রয়েছে এমন শিক্ষার্থীরাও এ নিয়ম থেকে ছাড় পাবেন।
বিদ্যুৎ পাওয়া নিশ্চিত করতে টাওয়ার কোম্পানিগুলো সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে, তাদের যেন ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
দেশের মানুষের ডিজিটাল দক্ষতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত জ্ঞানের চিত্রও উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপে।
“যদি কেউ কথা বলি, বাইরে গিয়ে বলব,” বলেন তিনি।
এরইমধ্যে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ ও টিনএজারদের স্ক্রিন টাইম বা ফোনে কাটানো সময় সীমিত করেছে গ্রিস সরকার।
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিক ধারণা ফায়ার সার্ভিসের।
এর আগে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।