০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চোরের বিল মেটাতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের—এ হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের এক নির্মম বাস্তবতা। উন্নত বিশ্বে যেখানে বিদ্যুৎ অপচয় মাত্র ২ থেকে ৫ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে তা ১০ শতাংশের বেশি! এই হরিলুটের লোকসান মেটাতে বারবার কেন কোপ পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে?
হজকে ঘিরে সৌদি আরবের মক্কায় জমে উঠেছে কেনাকাটা। তবে উপহার, গহনা ও নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন হজ করতে যাওয়া অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, আগের বছরের তুলনায় এবার একই দামে অনেক কম পণ্য কিনতে পারছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলছেন, “যার পকেটে টাকা নেই, তার কাছে মূল্যস্ফীতি গুরুত্বপূর্ণ নয়।”
“সাশ্রয়ী হওয়াটা এখন কোনো বিকল্প না, এটা এখন বাধ্যবাধকতা। প্রশ্নটা হল কতটা সাশ্রয়ী হব, কোন জায়গায় সাশ্রয়ী হব এবং কীভাবে সাশ্রয়ী হব,” বলেন অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন।
ফারসী বছরের প্রথম মাস ফারভারদিনে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আগের বছরের তুলনায় ১১৫ শতাংশে পৌঁছেছে, কিছু কিছু অতি প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে তিনগুণ।
“অনেকে সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন। অনেকের তো সঞ্চয়ও নেই,” বলেন অধ্যাপক সেলিম রায়হান।
জ্বালানি তেলের সঙ্গে আমদানিনির্ভর সকল পণ্যের দাম বাড়ায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, বলেন জাহিদ হোসেন।
স্থানীয় অব্যবস্থাপনা, টানা বোমাবর্ষণ, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আর নৌ-অবরোধের পাশাপাশি ৬৪ দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ৯ কোটির বেশি মানুষের দেশটির অর্থনীতি এখন খাদের কিনারায় পৌঁছে গেছে।