০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“অনেকে সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন। অনেকের তো সঞ্চয়ও নেই,” বলেন অধ্যাপক সেলিম রায়হান।
এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ দেশ হওয়ার লক্ষ্যও তুলে ধরেছেন তিনি।
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সমীকরণ—নতুন গভর্নরের সামনে বড় সংকট।
খেলাপি আরও কমিয়ে আনতে বড় ঋণের জামানত কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদাভাবে যাচাই করবে, বলেন আহসান এইচ মনসুর।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, “মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা ছাড়া বাকি সূচকগুলোতে মুদ্রানীতি সফল হয়েছে। আমরা খুব ভালো করেছি, শুধু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছি।”
বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ছয় মাসের জন্য আগের মতই সংকোচনমূক মুদ্রানীতি দিতে যাচ্ছে বলে আভাস মিলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক অবস্থানে না যাওয়া পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সামষ্টিক উদ্যোগ তেমন কোনো ফল আনবে না।
‘‘১৫ থেকে ২০টি ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করছি। আমরা প্রথমে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করছি। এটা যদি সফলভাবে করতে পারি তাহলে ধাপে ধাপে বাকি ৫টি কিংবা ১০টি ব্যাংকে করব।”