২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
এপ্রিলে এ খাতে ঋণে প্রবৃদ্ধি হয় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ, যা ছিল ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
অন্যান্য সুদহারের মধ্যে স্টান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) রেট সাড়ে ১১ শতাংশ ও স্টান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) আগের মতই সাড়ে ৭ শতাংশ একই রাখা হয়েছে।
সবশেষ মুদ্রানীতি দেওয়া হয় গেল ৯ ফেব্রুয়ারি, সেদিন নীতিসুদ হার আগের মতই ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
“বড় বিজয় নিয়ে সরকার এসেছে, তার সঙ্গে প্রত্যাশাও বড়। আর অন্যদিকে অর্থনীতির মহাচ্যালেঞ্জ।”
“অনেকে সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন। অনেকের তো সঞ্চয়ও নেই,” বলেন অধ্যাপক সেলিম রায়হান।
এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ দেশ হওয়ার লক্ষ্যও তুলে ধরেছেন তিনি।
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সমীকরণ—নতুন গভর্নরের সামনে বড় সংকট।
খেলাপি আরও কমিয়ে আনতে বড় ঋণের জামানত কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদাভাবে যাচাই করবে, বলেন আহসান এইচ মনসুর।