১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
কেবল মানবিক অনুভূতির কারণেই পৃথিবীর উদয় ও অস্তের ছবি দুটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। ৫৮ বছরের ব্যবধানে তোলা এসব ছবি পৃথিবী কতটা বদলেছে তাও বুঝতে সাহায্য করেছে।
যেসব মহাকাশ কর্মসূচি মানুষের অকৃত্রিম ও স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ তৈরি করতে পারে না, সেগুলো খুব বেশিদিন টিকে থাকে না।
এই মিশনে মহাকাশে মানুষের সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের নতুন রেকর্ড গড়েছেন চার নভোচারী; চাঁদের সেই অংশ দেখেছেন, যা আগে কখনো কোনো মানুষ দেখেনি।
এর আগে এ রেকর্ডটি ছিল ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো ১৩ মিশনের নভোচারীদের দখলে। তারা পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৫ মাইল দূরত্ব পেরিয়েছিলেন।
পৃথিবী থেকে প্রায় আড়াই লাখ মাইল দূর থেকে ডেটা, ভয়েস ও ফোরকে ভিডিও পাঠানোর জন্য হাই-স্পিড লেজার কমিউনিকেশন ও রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেমের সমন্বয় ব্যবহার করছে আর্টেমিস টু।
সম্প্রতি রকেটে জ্বালানি ভরার মহড়া চালানোর সময় ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ বা এসএলএস রকেটে কিছু সমস্যা ধরা পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সূর্যের চৌম্বকক্ষেত্রের শক্তি ও সৌর বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। তবে এই সক্রিয়তা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে কি না তা নিশ্চিত নয়।
এ ধরনের উৎক্ষেপণ ও পুনরায় ব্যবহারের পথিকৃৎ স্পেসএক্স হলেও এবারের উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নিউ গ্লেনের সক্ষমতাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। প্রযুক্তি ডেস্ক