২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
‘‘আমি বলতে চাই ,আপনারা ব্যর্থ হলে, আমি ব্যর্থ হব, দেশ ব্যর্থ হবে, সবাই ব্যর্থ হবে,” বলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।
“সংসদ হলো জাতির প্রতিবিম্ব, তাতে নিজের চেহারাই যদি দেখতে না পান, তাহলে সেটা আয়না হয় কী করে,” বলেন তিনি।
জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট।
এজন্য দুঃখপ্রকাশও করেন, বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলনের এ সঙ্গী।
“যারা মামলা করে টাকা কামাই করে, গায়ের জোর দেখিয়ে টাকা বানাবার চেষ্টা করে, ওরা যে দলেই হোক, যে মার্কার হোক যে নেতার কথা কোক তাদের কথা শুনবেন না।”
“সেই প্রার্থীর (বিএনপির শাহে আলম) লোকজনই আমার প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। মহিলারা প্রচারে বের হলে তাদের হুমকি দিচ্ছে। তারা ভয়ে প্রচারণায় বের হচ্ছে না।”
“এটাকে সেমি হার্ট অ্যাটাক বলতে পারেন। তবে উনি এখন আশঙ্কামুক্ত।”
ইতোমধ্যে ঢাকা-১৮ আসনে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।