০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল পরিচালিত গণহত্যা ও হামলার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তারাও এখন যুদ্ধবাজ চক্রের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।
সুদান যুদ্ধে নিহত ১০ সহস্রাধিক, বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ। সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর ক্ষমতার লড়াইয়ে পিষ্ট সাধারণ জনগণের ভবিষ্যৎ এখন কোন পথে? কেন অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন এবং কীভাবে ফিরতে পারে টেকসই শান্তি? আল-জাজিরায় প্রকাশিত হালা আল-কারিবের বিশ্লেষণধর্মী লেখার অনুবাদ।
বাহ্যিক আক্রমণ ইরানের অভ্যন্তরে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্যমান অসন্তোষকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে সরকার জাতীয় প্রতিরোধের ভাষা ব্যবহার করে জনগণের সমর্থন সংগঠিত করার সুযোগ পেয়েছে।
যুদ্ধে প্রিয়জন হারানোর দুঃখ, খাবার স্বল্পতা ও ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও প্রাণপণ আনন্দ আয়োজনে রোজা পালনের চেষ্টা করছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা।
চরম ক্ষুধা আর দারিদ্র্যে ধুঁকছে মিয়ানমার; দেশটিতে প্রায় ২ কোটি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
তীব্র শীত ও ভারী বৃষ্টিতে গাজায় তাঁবুতে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, কম্বল ও মানবিক সহায়তার অভাবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ছে শিশুরা। দ্রুত সেখানে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দিতে বলছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
ঢাকার অভিজাত দালানের ছায়ায় লুকিয়ে থাকা আরেক শহরের নাম কড়াইল, যেখানে যখনই আগুন লাগে, জন্ম নেয় একটি প্রশ্ন—এ দুর্ঘটনা, নাকি কোনো নীরব ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি?
গাজার জন্য ত্রাণ বহনকারী ‘দ্য গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গ্রীসে পৌঁছেছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন গ্রেটা থুনবার্গসহ একদল অধিকারকর্মী। ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে তৃতীয়বারের মত চেষ্টা করছেন তারা।