২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
সরকার এ আইনের যে খসড়া করেছে, সেটির ওপর ভিত্তি করে গঠিত কমিশন কোনোভাবেই স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হবে না বলে উদ্বেগ প্রতিষ্ঠানটির।
ক্ষমতায় আসার আগে যে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ছিল জনগণের প্রাণের দাবি, ক্ষমতায় বসে কি আজ তা কেবলই ‘কৌশলগত’ রাজনৈতিক চালে পরিণত করতে চলেছে নতুন সরকার।
বিল উত্থাপনের বিরোধিতা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আজকে যারা সরকারি বেঞ্চ রয়েছেন তারা চব্বিশের জুলাইয়ের আগে হলে এই বিল পাসের বিরোধিতা করত।”
“মেরুদণ্ডহীন ভালো মানুষের দরকার নেই। আমাদের এমন মানুষ দরকার, যারা সৎ ও নীতিবান এবং ক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করতে পারে,” বলেন তিনি।
“এত দীর্ঘ সময় তথ্য ও মানবাধিকার কমিশন নেতৃত্বহীন রাখা শুধু দুঃখজনক নয়, রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য ম্যান্ডেটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক,” বলেছে টিআইবি।
“কমিশনের এই কথা বলতে কোনও দ্বিধা নেই যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মূল সমস্যাটি শনাক্ত করতে ও বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।”
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের তিন মাস পর একসঙ্গে মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য ইস্তফা দিলেন।
গত মাসে গুমের কোনো ঘটনা পায়নি সংস্থাটি।