২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শিশুটির বাবা বলেন, ফজরের আজানের সময় শিশু তোহা ঘুম থেকে উঠলে তিনি তার স্ত্রীকে উঠে নামাজ পড়তে বলে মসজিদে চলে যান।
কান্নাকাটি করায় দাদি শিশুটিকে দুধ খাওয়ানোর জন্য তার মার হাতে দিলে ঘরে নিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
২ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর অসুস্থ জানিয়ে একজন চিকিৎসককে বাসায় নিয়ে যান সাবিনা। চিকিৎসক গিয়ে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় পান।
“মেয়েকে হত্যার পর পাঁচ বছর বয়সী ছেলেটাকেও গলা কেটে হত্যা করতে উদ্যত হয় সে।”
দাম্পত্য কলহের বাইরে অন্য কোনও কারন রয়েছে কী না তা তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
“পরে রাগারাগি করলে আমার স্ত্রী আমাকে নিয়ে পুকুর পাড়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি আমার সন্তান মোহাম্মদ পড়ে আছে।”