২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
যে জুলাই সনদ বিএনপি সই করে এসেছে, তার ‘প্রত্যেকটি অক্ষর, প্রত্যেকটি শব্দ, প্রত্যেকটি লাইন’ সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।
মওলানা ভাসানী যে ঘরটিতে থাকতেন, প্রধানমন্ত্রী সেটি ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
রিসেট বাটন চাপা কি শুধু রাজনীতির সংস্কার, নাকি মুক্তিযুদ্ধকে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ, শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক এবং বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করার নতুন বয়ান?
“জনগণ যেমন ন্যায় বিচার পাবেন, তেমনি যারা অপরাধ করেছেন, তাদেরকেও ন্যায় বিচার বুঝিয়ে দিতে হবে”, বলেন তিনি।
শহীদ আসাদ যে আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিলেন, যে আন্দোলনে আইয়ুব খানের মতো স্বৈরাচারের পতন হয়েছিল ওই আন্দোলনের কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিলেন মওলানা ভাসানী। তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বাংলার বুকে সংঘঠিত হয়েছে অভূতপূর্ভ এক গণঅভ্যুত্থান।
গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করাটা ভাসানীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। আর পাশাপাশি আরেকটা বিষয় হলো গণঅভ্যুত্থানের সাংগঠনিক কাজ করতে গিয়ে একইসঙ্গে বাংলাদেশে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলবার ভিত্তিটা তিনি স্থাপন করে দিয়েছেন। ভাসানী যদি না থাকতেন, শেখ মুজিবুর বলে কেউ থাকতেন না।
‘আমরাও চাই আপনি হঠাৎ করে দেশে ঢুকে পড়েন’, শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে বললেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
‘ভাসানীর মতো জনগণের বন্ধু উপমহাদেশে কম আছে’, বললেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী।